বর্তমানে অনেক মহিলারা অনিয়মিত মাসিক ও ঋতুস্রাব সমস্যায় ভুগে থাকে। একটি মেয়েলি সমস্যা। আপাত দৃষ্টিতে এটা তেমন সমস্যা মনে না হলেও এটা বন্ধ্যাত্বের মত মারাত্বক বিপদ ডেকে আনতে পারে। মেয়েদের মাসিক সাধারণত ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে হয়৷ অবশ্য মাঝে মাঝে দুই একদিন আগ পাছ হতে পারে। ২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পর হয় তবে এটাকে অনিয়মিত মাসিক বলা হয়৷
কেন এমন হয় ?
১. যদি জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল হঠাৎ খাওয়া বন্ধ কর্রে দেন ।
২. স্ত্রী (ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন) হরমোনের ভারসাম্যের অভাবে এমনটা হতে পারে ।
৩. অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি ।
৪. অনেক সময় সন্তান প্রসবের পর পরও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে ।
৫. জননাঙ্গের যক্ষা, গণোরিয়া, সিফিলিস, এইডস, ডায়াবেটিস প্রভৃতির কারণে হতে পারে৷
৬. মানসিক কারণ এমনটা হতে পারে ।
৭. রক্তস্বল্পতার কারনেও হয়ে থাকে।
লক্ষণগুলো কি কি ?
১. একভাবে অনেকদিন ধরে মাসিক চলতে থাকে ।
২. অনেক সময় মাসে ২-৩ বার মাসিক বা ঋতুস্রাব হতে পারে ।
৩. অনেক সময় স্বল্পকালীন মাসিক দেখা যায় । এরপর মাসিক শুরু হলে প্রায় ২-৩ মাস পর্যন্ত চলতে থাকে ।
৪. মাসিক শুরু হওয়ার ১-২ দিন পরই শেষ হয়ে যায় এবং অল্প কদিনের মধ্যে আবার শুরু হয় ।
৫. রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া দেখা দিতে পারে ।
৬. ক্ষুধামন্দা বা বদ হজম ও শরীর দুর্বল বোধ হয় ।
কি জটিলতা হতে পারে ?
১. অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ হতে পারে । যা কখন কাম্য নয় ।
২. সন্তান ধারণে অক্ষমতা বা বন্ধ্যাত্ব দেখা যেতে পারে । ফলে চিরদিনের মত মাতৃত্ব হারাতে পারেন ।
৩. টিউমার ও ক্যান্সারজনিত হলে সময়মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মৃত্যুও হতে পারে ।
চিকিৎসা ব্যবস্থা
১. রোগীকে অবশ্যই সম্পূর্ণরূপে বিশ্রামে থাকতে হবে এবং সেই সাথে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে ।
২. নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার ও হালকা ব্যায়াম করতে হবে ।
৩. রোগিকে মানসিকভাবে আস্বস্ত হতে হবে ।
৪. রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে প্রয়োজনে রক্ত দিতে হবে ।
৫. এই সকল উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে৷
অতিরিক্ত ওজন অনিয়মিত মাসিক ও ঋতুা স্রাব এর অন্যতম কারন। এছাড়া ওজন বৃদ্ধির কারনে নানা শারিরীক সমস্যা দেখা দেয়। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন। সেই সাথে ভাল ও পুষ্টকর খাবার খাবেন ।
Health Tips Doc Your Online Doctor
Thanks for your nice tips.