পিরিয়ড বা ঋতুকালিন ব্যথা একটা কমন সমস্যা । যদিও সবার হয় না । অধিকাংশ মেয়েদের পিরিয়ড ব্যথা অনুভূত হয়। প্রতি মাসে এই যন্ত্রণার শিকার যারা হন, তাদের চিকিৎসকের কাছে দৌড়াতে হয়। অথবা অনেকের সময় সুযোগের অভাবে এই যন্ত্রনা সহ্য করতে হয়। তাই বাড়িতেই যন্ত্রণামুক্তির কিছু উপায় জানা থাকলে দারুণ উপকার হয়। পিরিয়ড ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে কিছু ঘরোয়া উপায়ের কথা চলুন জেনে নিই ।
১. পানি বা জল শরিরের জন্য খুব উপকারি । প্রচুর পরিমাণে পানি খাবেন। পিরিয়ড চলাকালীন প্রচুর পানি খাওয়া উচিত। এ সময় দেহের পর্যাপ্ত পানি প্রয়োজন হয়। জানতে পারেন স্তন বড় করার ১০ টি সহজ ও কার্যকর উপায় ।
২. যাদের নিয়মত চা খাবার অভ্যাস আছে তারা কম ক্যাফেইনপূর্ণ চা খাবেন। চায়ের উষ্ণতা ব্যথাপূর্ণ পেশিতে কিছুটা আরাম দেবে। এ জন্যে চামোমাইল টি, জিঞ্জার টি, পিপারমিন্ট টি, ল্যাভেন্ডার টি, গ্রিন টি, লেমোনগ্রাস টি, কার্ডামোম টি এবং আরো কয়েক ধরনের হার্বাল চা উপকার দেবে। এ সময়ের অবসাদ দূর করবে এসব চা।
৩. আদায় রয়েছে অনেক গুন । আদা এ সময়ের মহৌষধ। ব্যথা উদ্রেককারী প্রোস্টাগ্লাডিয়ানসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে আদা। এর সঙ্গে অবসাদ দূর করতেও সহায়তা করে। এক কাপ গরম পানিতে এক টুকরা আদা ছেঁচে তার সঙ্গে সামান্য মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন।
৪. লবন ব্যথা বৃদ্ধি করে। তাই চর্বিযুক্ত খাবার এ সময় এড়িয়ে চলা প্রয়োজন । কারন এসব খাবারে লবণ থাকে যা পিরিয়ড ব্যথা বৃদ্ধি করতে পারে। কলা খেতে পারেন। এর পটামিয়ামে উপকার মিলবে।
৫. ওয়াটার ব্যাগ থেরাপি নিতে পারেন । তলপেটে একটা হট ওয়াটার ব্যাগ দিয়ে রাখুন। এতে যন্ত্রণাকাতর পেশিগুলো শিথিল হবে। পিরিয়ড ব্যথা কিছুটা কমে আসবে।
৬. ঋতুকালীন সময়ে দারুচিনি খেতে পারেন। এতে ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। যা ব্যথা উপশম করে। এক টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়ো চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এতে সামান্য মধু মিশিয়ে খান। পিরিয়ড শুরু হওয়ার দুই-তিন দিন আগে থেকে এই চা দুই-তিন কাপ খেলে ব্যথা থাকবে না।
৭. ক্যাফেইন থেকে দূরে থাকাটা বাঞ্ছনীয়। ক্যাফেইন রক্ত চলাচলকারী শিরা-উপশিরাকে সংকুচিত করে দেয়। এত পিরিয়ড ব্যথা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।
Health Tips Doc Your Online Doctor
It’s a real plsuaere to find someone who can think like that