প্রেগনেন্সি টাইমে বেশি বেশি খাওয়া-দাওয়া, কাজ না করা বিভিন্ন করনে শরীরের ওজন বেড়ে যায়। ফিগার ও সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। আর আগের মতো দেখতে সুন্দর লাগে না। এই নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তা করেন। অনেকেই চাই মা হবার পর তার ফিগার যেন আগের মত ফিরে পায়। কিন্তু জানেন কি, টাকা খরচ না করেও লাইফে একটু পরিবর্তন এনে আপনি প্রেগনেন্সির পর সঠিক ফিগার পেতে পারেন। তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। চলুন দেখে নিই কি সেগুলো ।
১. প্রেগনেন্সির পর সঠিক ফিগার পেতে বাচ্চা হওয়ার পর পরই এক্সারসাইজ় শুরু করবেন না। প্রেগনেন্সির পর শরীরে আগের মতো হরমোন ফ্লো হতে দিন। ততদিন ব্রেস্ট ফিডিংও করাতে হবে বাচ্চাকে। আপনার শরীরের বাড়তি মেদই বাচ্চার দুধ তৈরি করে। সব কিছু আগের অবস্থায় পৌঁছতে মাস তিনেক সময় লাগবে। তারপর ডাক্তারের কথা মতো এক্সারসাইজ় শুরু করুন। অনিয়মিত মাসিক ও ঋতুস্রাব হলে কি করনীয় ।
২. ওজন কমানোর সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন । কিন্তু বাচ্চাকে ব্রেস্ট ফিড করানোর সময় কোনও মতেই এই সাপ্লিমেন্ট খাবেন না। বাচ্চার ক্ষতি হবে । ব্রেস্ট ফিডিং বন্ধ বলে সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। তবে ডাক্তারের সঙ্গে একবার আলোচনা করে নিন।
৩. মেদ ঝরাতে সঠিক ঘুম দরকার। বাচ্চা হওয়ার পর অনেক মায়েরই রাতে ঘুম উড়ে যায়। এই কারণে শরীরের মেদ ঝরতে চায় না । চেষ্টা করবেন যাতে রাতে অনন্ত ৫-৬ ঘণ্টা ঘুম হয়।
৪. প্রেগনেন্সির পর সঠিক ফিগার পেতে শাক সবজি মেদ কমাতে সাহায্য করে। প্রচুর শাক, সবজি ও ফল খাবেন। ওজন কমবে। সেই সাথে প্রচুর পানি পান করুন। নিশ্চিত সন্তান ধারণে নারীর করনীয় ।
৫. একবারে অনেক না খেয়ে অল্প অল্প পরিমাণে দু’ঘণ্টা অন্তর খাবেন। এতে হজমও ভালো হবে। বাড়তি মেদ জমবে না।
৬. গর্ভবতী থাকার সময় খিদে না পেলেও অনেকে বেশি বেশি খেয়ে ফেলেন। ফলে অকারণে ওজন বেড়ে যায়। সেই অকারণ বেশি খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।
প্রেগনেন্সির পর সঠিক ফিগার ফিরে পাতে এই কাজগুলো ভাল ভাবে নিয়ম মেনে করুন । দেখবেন আপনার ফিগার ঠিক আগের মত ফিরে আসবে।
Health Tips Doc Your Online Doctor