এক্সারসাইজ-৩. Sensual মাস্টারবেশনঃ
এই এক্সারসাইজ মূলত যাদের কোন সঙ্গিনী নেই তাদের জন্য। অবশ্য যাদের আছে তারাও সঙ্গিনীর সাথে এক্সারসাইজ করার আগে এটা করে নিতে পারেন। তবে এই এক্সারসাইজ অনেকের কাছেই বেশ অসস্তিকর লাগতে পারে। কিন্ত কোনকিছু নিরাময়ের জন্য কতকিছুই তো করতে হয় তাইনা?
. এ এক্সারসাইজের জন্য ১ম এক্সারসাইজের মতই প্রস্তুতি নিতে হবে। তবে এবার প্রথম থেকেই লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করতে হবে। সাথে একটা কন্ডম রাখা যেতে পারে। কারন বিছানায় শুয়ে শুয়ে করা হবে বিধায় তা যেন বীর্যে ভরে না যায় সেজন্য। তবে কন্ডম পড়লে স্পর্শকাতরতা নিয়ে পরে সমস্যা হতে পারে বিধায় বিছানায় কোন পরিস্কার পুরোনো চাদর বিছিয়ে নেওয়াই ভালো।
. প্রথমে নগ্ন হয়ে বিছানায় রিলাক্সড হয়ে শুতে হবে। তারপর হাতে লুব্রিকেন্ট লাগিয়ে সারাদেহে এক্স-১ এর মত করে ম্যাসাজ করে করে আপনার দেহকে পর্যাপ্ত উত্তেজিত করে নিন। এসময় প্রথমে লিঙ্গে হস্তমৈথুনের মত করে হাত বুলানো যাবে না। একটু উত্তেজিত হয়ে উঠলে এরকমটা চলা অবস্থাতেই এক হাত লিঙ্গে বুলাতে বুলাতে অন্য হাত মুখের কাছে নিয়ে আসুন। নিজের কবজি থেকে শুরু করে বাহুর উপরে যতটুকু পর্যন্ত মুখ যায় জিহবা বুলাতে থাকুন। এরপর বিশেষ করে বাহুর কাছের বিভিন্ন অংশ (যেখানে সাধারনত টিকা দেয়া হয়) একটু একটু করে লাভ বাইটস দেয়ার মত করে মুখ দিয়ে চুষতে থাকুন, তবে ধীরে ধীরে নাহলে লাল স্পট পড়ে যেতে পারে। এবার লিংঙ্গে হস্তমৈথুনের মত করে হাত বুলাতে থাকুন। কিন্ত আপনার সম্পুর্ন মনোযোগ থাকবে আপনার বাহুর উপর। এ অবস্থায় কিছুক্ষন পরপর আপনার হাত পালটে নিন। আর এসময়, বীর্যপাতের প্রবনতা এলে তিন থেকে চার বার মুখের কাজ না থামিয়ে লিঙ্গ থেকে অন্য হাতটি সরিয়ে আনুন। শেষেরবার বীর্যপাতের মাধ্যমে এক্সারসাইজের সমাপ্তি টানুন।
এক্সারসাইজ-৪. সঙ্গিনীর সাথে ম্যারাথন স্টপ এ্যান্ড গোঃ
এটা হচ্ছে উপরের এক্সারসাইজ গুলো করার পরে যাদের বিশ্বস্ত সঙ্গিনী আছে তাদের জন্য। আর যারা এখনো বিয়ে করেননি বা গার্লফ্রেন্ডের সাথে অতটা গভীর সম্পর্কে জাননি তাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে। কারন সঙ্গিনীর সাহায্য ছাড়া পরিপুর্নভাবে প্রিম্যাচিউর এজাকুলেশন নিরাময় করা সম্ভব নয়। এজন্য ওনার কাছে আগেই এ বিষয়ে সব কিছু ব্যাখ্যা করে ওনার সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে।
এই এক্সারসাইজ করার আগে অন্ততপক্ষে ১ সপ্তাহ হস্তমৈথুন বা যৌনমিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। আর আপনার সঙ্গিনী যদি কিছুদিন ধরে নিয়মিত জন্মবিরতিকরন পিল খান তবে সবচেয়ে ভালো হয়। নাহলে বাজারে এখন খুব ভাল ইমার্জেন্সী কন্ট্রাসেপটিক পিল পাওয়া যায়। ওগুলোর সেবনবিধি ভালোভাবে জেনে নিয়ে সেগুলো তৈরী রাখতে হবে। কারন, এই এক্সারসাইজটি করার মূল উদ্দেশ্য সঙ্গিনীর সাথে সহজাত অনুভুতির একটা সম্পর্ক গড়ে তোলা। আর কন্ডম দিয়ে সেক্স করলে তা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এজন্য জন্মবিরতিকরন পিল খাওয়ার ব্যাপারেও বেশ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশেষ করে এই কারনেই গার্লফ্রেন্ডের সাথে এই এক্সারসাইজ করতে আপনাদের আমি নিরুৎসাহিত করব। এটা নিজ স্ত্রীর সাথে অনুশীলন করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
. সঙ্গিনীর সাথে অভ্যাস করার জন্য প্রথমে ঘরে অত্যন্ত রোমান্টিক একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। সন্ধ্যা বেলাটা একসাথে কোথাও ঘুরতে গিয়ে, সিনেমা দেখে কাটান, একসাথে ডিনার করুন। একজন আরেকজনের সংস্পর্শে থাকুন। কাপড়ের উপর দিয়ে হাল্কা পাতলা আদর করে, মিস্টি মিস্টি কথা বলে সহজ হয়ে নিন। রাতে হাল্কা খাবার খেয়ে কিছুক্ষন একসাথে বসে টিভি দেখা বা পুর্নিমার দিন হলে একজন আরেকজনকে ধরে বসে থেকে ভালোবাসার কথা বলুন। এভাবে নিজেদের সাথে সহজ হয়ে নিতে হবে। একজন-আরেকজনের সংস্পর্শে এভাবে থেকে উত্তেজিত না হয়ে বরং একটা রিলাক্স মুডে চলে আসুন।
. বেডরুমে যেন আগের মতই স্বল্প আলোর একটা সুন্দর পরিবেশ থাকে। লুব্রিকেন্ট পাশেই রাখবেন। বেডরুমে গিয়ে ধীরে ধীরে নিজেই নিজের কাপড় খুলে নিন, এবং আপনার সঙ্গিনীকেও ওর কাপড় খুলে নিতে বলুন। দুজনে বিছানায় আরাম করে মুখোমুখি শুয়ে ঠোটে কিস দিয়ে শুরু করুন। এসময় হাল্কা ভাবে দুজনে দুজনের পিঠে হাত বুলিয়ে দিন। অন্য কোথাও যেন হাত না যায়। কিছুক্ষন কিস করে আপনার সঙ্গিনীকে বলুন হাতে লুব্রিকেন্ট মাখিয়ে আপনার লিঙ্গে আদর করে দিতে ও অন্য হাতে আপনার বুক, নাভী, উরু এসব স্থানে হাত বুলিয়ে দিতে। আর আপনিও ওনার গালে, গলায়, বাহুতে জিহবা লাগিয়ে চুষে দিতে থাকুন, এক্স-৩ তে যা আপনি নিজেই নিজেকে করছিলেন। তবে ওনার স্তন ও অন্যান্য যৌনকাতর অংশের দিকে বেশি মনোযোগ দেবেন না কারন তাতে উনি অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে যেতে পারেন। উনি একটু উত্তেজিত হয়ে গেলেই আপনার হাত থামিয়ে ওনার ঠোটে আপনার ঠোট just লাগিয়ে রাখুন। চুমু খাওয়ার দরকার নেই। এভাবে কিছুক্ষন পর আপনার বীর্যপাতের প্রবনতা এলে ওনাকে থামতে বলুন। এবার কিছুক্ষন ওনার দেহে হাত বুলিয়ে ওনাকে উত্তেজিত করে তুলুন। আপনার বীর্যপাতের প্রবনতা একটু কমে এলে আবার ওনাকে বলুন আপনার দেহে ও লিঙ্গে হাত বুলিয়ে দিতে। এভাবে কয়েকবার করার পর বীর্যপাত করাতে পারেন।
. বীর্যপাতের পরও -১-এর মত করে আপনার সঙ্গিনীকে আপনাকে আদর করা বন্ধ করতে মানা করুন। আপনিও ওনাকে হাল্কা পাতলা আদর করে উৎসাহ দিন। এরকম করতে করতেই আরো একবার আপনার লিঙ্গ শক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত ওকে চালিয়ে যেতে বলুন। এক্ষেত্রে দেরী হলে, আপনার সঙ্গিনী যদি দ্বিধাবোধ না করেন তবে দরকার হলে ও্নাকে কিছুক্ষন আপনার অনুত্তেজিত লিঙ্গকে চুষে দিতেও বলতে পারেন। তবে শক্ত হওয়ার পর সেখানে শুধুই ওনার হাত থাকতে হবে। এবার আবার সম্পুর্ন এক্সারসাইজের পুনরাবৃত্তি করে বির্যপাতের মাধ্যমে শেষ করুন। এত দীর্ঘ সময়ের এক্সারসাইজে আপনার সঙ্গিনী বেশ অধৈর্য ও যৌনত্তেজনায় কাতর হয়ে উঠবেন। দ্বিতীয়বার বীর্যপাতের পর এবার আপনি আপনার সঙ্গিনীকে যতভাবে সম্ভব উত্তেজিত করে তুলুন। ওনার যৌনাংগুলোতে আদর করে ওনাকে অর্গাজম করিয়ে দিন (আমার লেখা মেয়েদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গ সম্পর্কীত প্রবন্ধটি পড়ে এ সম্পর্কে আশা করি আপনার ভালোই ধারনা হয়েছে?)। ওনাকে এভাবে আদর করতে করতে আশা করা যায় আপনিও তৃতীয়বারের মত উত্তেজিত হয়ে উঠবেন। এবার কিছুক্ষন আপনার সঙ্গিনীকে আপনার লিঙ্গে আদর করতে দিয়েই তাকে আর নিরাশ না করে মিশনারী পজিশনে গিয়ে তার যোনিতে লিঙ্গ দ্বারা মৈথুন করা শুরু করুন। তবে বেশ ধীরে ধীরে এবং উত্তেজনাকে যথাসম্ভব দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে। এক্স-১ ও ২ ঠিকমত অনুশীলন করে থাকলে আসা করি এতে আপনার খুব বেশি সমস্যা হবে না। এবার যখনি আপনি টের পাবেন আপনার বীর্যপাতের সময় এগিয়ে আসছে, তখনি যোনির গভীরে আপনার লিঙ্গকে রেখে দিয়ে সবরকম নাড়াচাড়া থামিয়ে দিন, আপনার সঙ্গিনীকেও থামতে বলুন (It’s break time sweetheart!) আস্তে আস্তে বীর্পাতের ইচ্ছে মিলিয়ে যেতে শুরু করলে উল্টিয়ে গিয়ে আপনার সঙ্গিনীকে আপনার উপরে নিয়ে আসুন, তারপর আবার মৈথুন করতে থাকুন। আবার বীর্যপাতের ইচ্ছে এগিয়ে আসলে, আগের মত নড়াচড়া বন্ধ করে দিন। এবার আবার ওনাকে উলটে আপনার নিচে এনে এভাবে যতক্ষন সম্ভব চালিয়ে যেতে হবে।
. এবার আশা করা যায় আপনার বীর্যপাত কিছুটা হলেও বিলম্বিত হবে। তবুও আপনার বীর্যপাত সঙ্গিনীর অর্গাজমের আগেই হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে (আগেই বলছি এ নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা করবেন না। Just relax)। তাই আপনার বীর্যপাত হয়ে গেলে ওনার যোনিতে ওরাল সেক্সের (ঠোট ও জিহবা ব্যবহার করে) মাধ্যমে আদর করে অর্গাজমে নিয়ে যান।
. এভাবে এক সপ্তাহ পর পর এটি মাসখানেক অনুশীলন করলে আশা করা যায় আপনি অবশ্যই সুফল পাবেন।
এই এক্সারসাইজগুলো মূলত প্রিম্যাচিউর এজাকুলেশন নিরাময়ের প্রাথমিক পর্যায়ের। বেশিরভাগেরই এই এক্সারসাইজেই আস্তে আস্তে বীর্যপাতের সময় বাড়তে থাকে। তবে প্রিম্যাচিউর এজাকুলেশনের সবচেয়ে কার্জকরী সমাধান করা যায় পিসি মাসল (PC Muscle) এর এক্সারসাইজের মাধ্যমে। মানুষ তার প্রস্রাব আটকাতে তার পেলভিক অঞ্চলের যে পেশিটি ব্যাবহার করে তার নামই পিসি মাসল। বেশিরভাগ মানুষেরই জন্মগতভাবে এই মাসল তুলনামূলক দূর্বল থাকে। এই মাসলকে শক্তিশালী করে তুলে এর মাধ্যমে ছেলেদের অর্গাজমের সময়ও বীর্যপাতকে থামিয়ে দেয়া যায় (আগেই বলেছি অর্গাজম আর বীর্যপাত একসাথে হতেই হবে এমন কোন কথা নেই, এরা একে অপরের সাথে সম্পর্কীত হলেও আসলে দুটি আলাদা ঘটনা)। যার ফলে একবার অর্গাজম হয়ে যাওয়ার পরও বীর্যপাত না হওয়াতে ছেলেটির লিঙ্গের উত্থান অটুট থাকে বলে সে মেয়েটির অর্গাজম না হওয়া পর্যন্ত মৈথুন করে গিয়ে এর মাঝে আরো একটি-দুটি অর্গাজম করে শেষেরবার বীর্যস্খলন করাতে পারে। শুনতে গল্পের মত মনে হলেও বাস্তবে আসলেও এটা সম্ভব। বিশ্বাস না হলে আপনারা ইন্টারনেট ঘেটে দেখতে পারেন। বিদেশে অনেক ছেলে এটা চেষ্টা করে সফল হয়েছে। আমি নিজেও এই এক্সারসাইজের কিছু অংশ চেষ্টা করে আশ্চর্যান্বিত হয়েছি। যাদের প্রিম্যাচিউর এজাকুলেশন সমস্যা না থাকলেও ১৫-২০ মিনিট মৈথুন করে সঙ্গিনীকে সন্তুষ্ট করতে পারেন না তারাও এটা চেষ্টা করতে পারেন। এর জন্য বয়সও তেমন বড় কোন ফ্যাক্টর নয়। মোটামুটিভাবে ১৭-৫৫ বছর বয়েসের যে কেউ এটা করে সুফল পেতে পারেন। একে ছেলেদের মাল্টিপল অর্গাজম বলা হয়।
কৃতজ্ঞতাঃ লাইফনিডসেক্স.ওয়ার্ডপ্রেস.কম
দেখে নিন - দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধান (১)
Health Tips Doc Your Online Doctor